স্বাধীনতার পরে কিশোরগঞ্জ মহকুমায় বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর রুকন সংখ্যা দাড়ায় ২ জনে। ডা. আযীযুল হক ও মাস্টার আব্দুল করীম। ১৯৭২ সনের সংবিধানে ধর্মীয় রাজনীতি নিষিদ্ধ করার ফলে, ১৯৭৫ সনে জিয়াউর রহমান কর্তৃক ধর্মীয় রাজনীতির ওপর নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহারের পূর্ব পর্যন্ত, আন্ডারগ্রাউন্ড অবস্থায় সারা দেশের ন্যায় কিশোরগঞ্জে সংগঠনের কাজ চলতে থাকে। ১৯৭৫ সনে ধর্মীয় রাজনীতির ওপর থেকে […]" /> কিশোরগঞ্জ জেলা জামায়াতের সকল আমীরবৃন্দ ও তাদের দায়িত্বকাল। - bdinsidenews
  • শুক্রবার, ১৭ এপ্রিল ২০২৬, ০৭:৩৬ অপরাহ্ন
  • [gtranslate]
Headline
লালনগীতির সম্রাজ্ঞী ফরিদা পারভীন আর নেই জাপা-গণ অধিকার সংঘর্ষে লাঠিচার্জ, আহত নুর-রাশেদসহ বহুজন আওয়ামী লীগের কার্যক্রম নিষিদ্ধের পর শাহবাগে উল্লাস আওয়ামী লীগ নিষিদ্ধের সিদ্ধান্ত, চট্টগ্রামে মিছিল-শোভাযাত্রা টাকা ছুড়ে দিয়ে ‘সন্ত্রাসী’ স্বামীকে ছাড়িয়ে আনার হুমকি দেওয়া তামান্না গ্রেপ্তার বিচার শেষ না হওয়া পর্যন্ত আওয়ামী লীগের কার্যক্রম নিষিদ্ধ ভারতের বিরুদ্ধে পাকিস্তানের ‘বুনইয়ানুন-মারসুস’ অভিযান। ব্যাটিং ব্যর্থতায় নিউজিল্যান্ড ‘এ’ দলের বিপক্ষে হারলো বাংলাদেশ। তা’মীরুল মিল্লাত কামিল মাদ্রাসার শিক্ষার্থীদের যমুনায় অবস্থান কর্মসূচি প্রধান উপদেষ্টার বাসভবন যমুনার আশপাশে সভা সমাবেশ নিষিদ্ধ!

কিশোরগঞ্জ জেলা জামায়াতের সকল আমীরবৃন্দ ও তাদের দায়িত্বকাল।

Reporter Name / ৩১৫ Time View
Update : শনিবার, ১০ মে, ২০২৫
কিশোরগঞ্জ জেলা আমরীর রমজান আলীর শপথ গ্রহণ

স্বাধীনতার পরে কিশোরগঞ্জ মহকুমায় বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর রুকন সংখ্যা দাড়ায় ২ জনে। ডা. আযীযুল হক ও মাস্টার আব্দুল করীম। ১৯৭২ সনের সংবিধানে ধর্মীয় রাজনীতি নিষিদ্ধ করার ফলে, ১৯৭৫ সনে জিয়াউর রহমান কর্তৃক ধর্মীয় রাজনীতির ওপর নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহারের পূর্ব পর্যন্ত, আন্ডারগ্রাউন্ড অবস্থায় সারা দেশের ন্যায় কিশোরগঞ্জে সংগঠনের কাজ চলতে থাকে। ১৯৭৫ সনে ধর্মীয় রাজনীতির ওপর থেকে নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহারের পর সারা দেশের ন্যায় কিশোরগঞ্জ জেলায় সকল কাজ যথারীতি চালু হয়।
১৯৭৯ সনে ডিসেম্বর মাসে কেন্দ্রীয় জামায়াতের সিদ্ধান্তে বৃহত্তর মোমেনশাহী জেলাকে ৫টি সাংগঠনিক জেলায় বিভক্ত করা হয়। ১৯৮০ সন থেকে কিশোরগঞ্জ সাংগঠনিক জেলার মর্যাদা লাভ করে।
➤কিশোরগঞ্জ জেলার প্রথম আমীর:
ডা. আযীযুল হক। তিনি ১৯৮০-৮৭ সন পর্যন্ত জেলা আমীর ছিলেন।
➤দ্বিতীয় আমীর:
মাওলানা মুহাম্মদ তৈয়বুজ্জামান। তিনি ১৯৮৮-০৯ সন পর্যন্ত জেলা আমীর ছিলেন
➤তৃতীয় জেলা আমীর:
অধ্যাপক মো. আবদুস সালাম। তিনি ২০১০-১৬ সন পর্যন্ত জেলা আমীর ছিলেন।
➤বর্তমান জেলা আমীর:
অধ্যাপক মো. রমজান আলী। তিনি ২০১৭ সন থেকে অদ্যবদি নিষ্ঠার সাথে দায়িত্ব পালন করে যাচ্ছেন।
পিটিএন/#জুনায়েদ সাকি


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
bdit.com.bd