লোকসংগীতের মহারাণী, লালনগীতির সম্রাজ্ঞী ফরিদা পারভীন আর নেই (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)। শনিবার রাত ১০টা ১৫ মিনিটে রাজধানীর ইউনিভার্সেল মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন তিনি। খবরটি প্রথম আলোকে নিশ্চিত করেছেন হাসপাতালটির ব্যবস্থাপনা পরিচালক ডা. আশীষ কুমার চক্রবর্তী। মৃত্যুকালে তাঁর বয়স হয়েছিল ৭১ বছর। তিনি স্বামী ও চার সন্তান রেখে গেছেন। দীর্ঘদিন […]" /> লালনগীতির সম্রাজ্ঞী ফরিদা পারভীন আর নেই - bdinsidenews
  • শুক্রবার, ১৭ এপ্রিল ২০২৬, ০৭:৪৭ অপরাহ্ন
  • [gtranslate]
Headline
লালনগীতির সম্রাজ্ঞী ফরিদা পারভীন আর নেই জাপা-গণ অধিকার সংঘর্ষে লাঠিচার্জ, আহত নুর-রাশেদসহ বহুজন আওয়ামী লীগের কার্যক্রম নিষিদ্ধের পর শাহবাগে উল্লাস আওয়ামী লীগ নিষিদ্ধের সিদ্ধান্ত, চট্টগ্রামে মিছিল-শোভাযাত্রা টাকা ছুড়ে দিয়ে ‘সন্ত্রাসী’ স্বামীকে ছাড়িয়ে আনার হুমকি দেওয়া তামান্না গ্রেপ্তার বিচার শেষ না হওয়া পর্যন্ত আওয়ামী লীগের কার্যক্রম নিষিদ্ধ ভারতের বিরুদ্ধে পাকিস্তানের ‘বুনইয়ানুন-মারসুস’ অভিযান। ব্যাটিং ব্যর্থতায় নিউজিল্যান্ড ‘এ’ দলের বিপক্ষে হারলো বাংলাদেশ। তা’মীরুল মিল্লাত কামিল মাদ্রাসার শিক্ষার্থীদের যমুনায় অবস্থান কর্মসূচি প্রধান উপদেষ্টার বাসভবন যমুনার আশপাশে সভা সমাবেশ নিষিদ্ধ!

লালনগীতির সম্রাজ্ঞী ফরিদা পারভীন আর নেই

মো: আল আমিন / ৮০২ Time View
Update : রবিবার, ১৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৫

লোকসংগীতের মহারাণী, লালনগীতির সম্রাজ্ঞী ফরিদা পারভীন আর নেই (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)। শনিবার রাত ১০টা ১৫ মিনিটে রাজধানীর ইউনিভার্সেল মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন তিনি। খবরটি প্রথম আলোকে নিশ্চিত করেছেন হাসপাতালটির ব্যবস্থাপনা পরিচালক ডা. আশীষ কুমার চক্রবর্তী। মৃত্যুকালে তাঁর বয়স হয়েছিল ৭১ বছর। তিনি স্বামী ও চার সন্তান রেখে গেছেন।

দীর্ঘদিন ধরে কিডনি জটিলতায় ভুগছিলেন ফরিদা পারভীন। নিয়মিত ডায়ালাইসিস নিতে হতো তাঁকে। গত ২ সেপ্টেম্বর ডায়ালাইসিসের জন্য হাসপাতালে নেওয়া হলে শারীরিক অবস্থার অবনতি হয়। পরে তাঁকে আইসিইউতে ভর্তি করা হয়। গত বুধবার আরও অবনতি হলে তাঁকে ভেন্টিলেশনে রাখা হয়। তবে সব চেষ্টা ব্যর্থ করে না–ফেরার দেশে চলে গেলেন এ সংগীতশিল্পী।

১৯৫৪ সালের ৩১ ডিসেম্বর নাটোরের সিংড়া থানায় জন্মগ্রহণ করেন ফরিদা পারভীন। মাত্র ১৪ বছর বয়সে ১৯৬৮ সালে শুরু হয় তাঁর পেশাদার সংগীতজীবন। নজরুলসংগীত ও আধুনিক গানের মাধ্যমে যাত্রা শুরু হলেও পরবর্তী সময়ে নিজেকে সম্পূর্ণভাবে নিবেদন করেন লালনগীতিতে।

লালনের গান তাঁর কণ্ঠে অন্য মাত্রা পায়। কুষ্টিয়ার এক চিকিৎসকের পরামর্শে তিনি লালনের গান শেখা শুরু করেন। পরবর্তীতে মকছেদ আলী সাঁইয়ের কাছে তালিম নিয়ে লালনের দার্শনিক গানগুলো গেয়ে দেশ-বিদেশে ব্যাপক খ্যাতি অর্জন করেন। “সত্য বল সুপথে চল ওরে আমার মন” গানটির মধ্য দিয়েই তিনি লালনগীতির পথে প্রথম পদচিহ্ন রাখেন।

দীর্ঘ ৫৫ বছরের সংগীতজীবনে দেশীয় লোকসংগীত ও লালনগীতিকে বিশ্ব দরবারে তুলে ধরেছেন ফরিদা পারভীন। তাঁর কণ্ঠে আধ্যাত্মিকতা, দর্শন আর জীবনের কথা বাঙালি শ্রোতাদের হৃদয়ে অমলিন হয়ে থাকবে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
bdit.com.bd